
গ্রিন টি খাওয়ার সঠিক সময় ও উপকারিতা
গ্রিন টি খাওয়ার সঠিক সময়, গ্রিন টি উপকারিতা, গ্রিন টি কখন খাবেন, গ্রিন টি কখন এড়িয়ে চলবেন—গ্রিন টি কম ক্যালরিযুক্ত এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি জনপ্রিয় পানীয়। তবে কখন পান করছেন—তার ওপরও উপকারিতার অনেকটা অংশ নির্ভর করে। সঠিক সময়ে গ্রিন টি পান করলে মনোযোগ, সতর্কতা এবং দৈনন্দিন কর্মক্ষমতায় ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
গ্রিন টি পান করার সেরা সময়
১) নাস্তার ১–২ ঘণ্টা পরে
গ্রিন টির কিছু উপাদান উদ্ভিদজাত খাবারের আয়রন শোষণে প্রভাব ফেলতে পারে—বিশেষ করে পালং, ডাল, বিনস ইত্যাদির মতো নন-হিম আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের ক্ষেত্রে। তাই খাবারের ঠিক সময় নয়, খাওয়ার ১ ঘণ্টা পর পান করলে ভালো।
২) দেরিতে সকাল বা বিকেলের দিকে
এই সময়ে অনেকের ক্লান্তি বাড়ে, মনোযোগ কমে যায়। গ্রিন টিতে থাকা ক্যাফেইন ও এল-থিয়ানিন সাময়িকভাবে ফোকাস ও সতর্কতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
৩) খাবারের সঙ্গে (যদি আয়রন সমস্যা না থাকে)
কম ক্যালরির কারণে অনেকেই খাবারের সঙ্গে গ্রিন টি পছন্দ করেন। তবে আপনার যদি আয়রন ঘাটতি/রক্তস্বল্পতা থাকে, খাবারের সঙ্গে না খেয়ে সময় একটু ফাঁক রাখাই ভালো।
কখন গ্রিন টি এড়িয়ে চলবেন
১) ঘুমানোর আগে
ক্যাফেইন সংবেদনশীল হলে ঘুমের মান নষ্ট হতে পারে। রাতে চাইলে ক্যাফেইনমুক্ত হারবাল টি বেছে নিতে পারেন।
২) নন-হিম আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের আশেপাশে
পালং, ডাল, টোফু, ফোর্টিফাইড সিরিয়াল—এগুলোর ১ ঘণ্টা আগে-পরে গ্রিন টি না খাওয়াই ভালো।
৩) আয়রন সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে
আয়রন ট্যাবলেট/সিরাপ নেওয়ার সময় গ্রিন টি এড়িয়ে চলুন—সময় আলাদা রাখুন।
গ্রিন টি থেকে বেশি উপকার পাওয়ার টিপস
১) সংরক্ষণ ঠিক রাখুন
চা পাতা/ব্যাগ বায়ুরোধী পাত্রে, ঠাণ্ডা-শুকনো ও অন্ধকার জায়গায় রাখুন।
২) সঠিক তাপমাত্রায় বানান
অতিরিক্ত গরম পানিতে স্বাদ তিতা হতে পারে। সাধারণভাবে ৮০–৮৫°সেলসিয়াস গরম পানিতে কয়েক মিনিট ভিজিয়ে (স্টিপ) নিলেই ভালো ফল মেলে।
নোট: কারও যদি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা, রক্তস্বল্পতা, গর্ভাবস্থা, বা নিয়মিত ওষুধ সেবনের বিষয় থাকে—তাহলে ব্যক্তিভেদে উপযোগিতা ভিন্ন হতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও খবর

